| বঙ্গাব্দ

নিউইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিকদের সমন পাঠাল ট্রাম্প প্রশাসন | এয়ারফোর্স ওয়ান

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 11-07-2026 ইং
  • 2906568 বার পঠিত
নিউইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিকদের সমন পাঠাল ট্রাম্প প্রশাসন | এয়ারফোর্স ওয়ান
ছবির ক্যাপশন: ট্রাম্প প্রশাসন

গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বড় আঘাত! এবার নিউইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিকদের গ্র্যান্ড জুরির মুখোমুখি করছে ট্রাম্প প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলাদেশ প্রতিদিন

প্রকাশিত: ১১ জুলাই, ২০২৬

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ‘এয়ারফোর্স ওয়ান’ বিমানের অতি গোপনীয় নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে চরম তোপের মুখে পড়েছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘দ্য নিউইয়র্ক টাইমস’। এই সংবাদ প্রকাশের জেরে সংবাদমাধ্যমটির বেশ কয়েকজন প্রথিতযশা সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আইনি সমন জারি করেছে ট্রাম্প প্রশাসনের বিচার বিভাগ (DOJ)।

দেশটির ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এজেন্টরা গত শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে আকস্মিকভাবে সাংবাদিকদের বাড়িতে গিয়ে এই সমন সশরীরে পৌঁছে দেন। এই রাজকীয় বা আইনি নির্দেশের আওতায় সাংবাদিকদের আগামী বুধবার (১৫ ১৫ জুলাই) ম্যানহাটনের একটি ফেডারেল গ্র্যান্ড জুরির সামনে সশরীরে হাজির হয়ে এ বিষয়ে গোপন সূত্রের উৎস নিয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কাতারের দেওয়া বিলাসবহুল বিমানটির স্পর্শকাতর তথ্য ফাঁসকারী ‘হুইসেলব্লোয়ার’ বা অজ্ঞাত উৎসকে খুঁজে বের করতেই ট্রাম্প প্রশাসন এই নজিরবিহীন কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা গেছে।

ফেডারেল গ্র্যান্ড জুরির মুখোমুখি হচ্ছেন ৪ তারকা সাংবাদিক

নিউইয়র্ক টাইমসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমন পাওয়া সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন মার্কিন মূলধারার সাংবাদিকতার চার পরিচিত মুখ— জুলিয়ান ই. বার্নস, এরিক লিপটন, টাইলার পেজার এবং এরিক শমিট। এই চার সাংবাদিকই যৌথভাবে গত বুধবার সেই আলোড়ন সৃষ্টিকারী প্রতিবেদনটি লিখেছিলেন।

সম্প্রতি কাতার সরকারের কাছ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া এবং পরবর্তীতে ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে মার্কিন প্রযুক্তিতে আপগ্রেড করা নতুন এয়ারফোর্স ওয়ান বিমানটি নিয়ে একটি বিশদ অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করে নিউইয়র্ক টাইমস। সরকারের অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য কিন্তু অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে ঐ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়— ৪ শত মিলিয়ন ডলার খরচ করার পরও নতুন এই বিমানটিতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা (Antimissile Capabilities) সহ এমন কিছু অত্যাধুনিক ও অতিপ্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রযুক্তির ঘাটতি রয়েছে, যা মার্কিন প্রেসিডেন্টের ব্যবহৃত পূর্ববর্তী পুরনো মডেলের বিমানগুলোতে সচরাচর থাকে।

নিরাপত্তা ত্রুটির খবর ছড়াতেই পুরনো বিমানে ট্রাম্প

নিউইয়র্ক টাইমসের এই বিস্ফোরক প্রতিবেদনটি প্রকাশের পরই নড়েচড়ে বসে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস। তারা তাৎক্ষণিকভাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নতুন বিমানের পরিবর্তে সাময়িকভাবে পুরনো মডেলে যাতায়াত করার কঠোর পরামর্শ দেয়। আর এই কারণেই গত সপ্তাহে তুরস্কের ন্যাটো (NATO) সম্মেলন থেকে ফেরার পথে ট্রাম্প কাতার থেকে পাওয়া নতুন বিমানটি বাদ দিয়ে পুরনো এয়ারফোর্স ওয়ানে চড়ে ইংল্যান্ডের রয়্যাল এয়ার ফোর্স (Mildenhall) ঘাঁটিতে অবতরণ করেন।

যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বিমানের কোনো ধরনের নিরাপত্তা ত্রুটির কথা সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, নতুন বিমানটি সম্পূর্ণ অত্যাধুনিক এবং সেখানে সর্বোচ্চ স্তরের প্রোটোকল নিশ্চিত করা হয়েছে। হোয়াইট হাউস প্রেস উইং থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, শত্রুদের বিভ্রান্ত করতে এবং কৌশলগত কারণেই বিমান পরিবর্তন করা হয়েছিল।

আমেরিকার সংবিধানে আঘাত, তীব্র নিন্দা

ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এই আইনি সমন জারির পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন মার্কিন গণমাধ্যম ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় নিয়োজিত বিশ্বব্যাপী সংগঠনগুলো। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রধান আইনজীবী ডেভিড ম্যাকক্রো এক ক্ষুব্ধ বিবৃতিতে বলেছেন:

“সংবাদ প্রতিবেদকদের দরজায় গভীর রাতে ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এজেন্টদের এমন আকস্মিক উপস্থিতি আমেরিকার সংবিধান (First Amendment) এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী যেকোনো মুক্তমনা নাগরিকের বিবেককে গভীরভাবে নাড়া দেবে।”

এছাড়া ওয়াশিংটনভিত্তিক ‘ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব’ এবং ‘রিপোর্টার্স কমিটি ফর ফ্রিডম অফ দ্য প্রেস’ একে স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের ওপর সরাসরি নগ্ন আঘাত হিসেবে উল্লেখ করে অনতিবিলম্বে এই সমন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। তারা মনে করিয়ে দেন, মার্কিন বিচার বিভাগের দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে সাংবাদিকদের ওপর এমন চাপ সৃষ্টি করা একনায়কতন্ত্রের শামিল।

উল্লেখ্য, গণমাধ্যমের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের এমন চাপ এবারই প্রথম নয়। এর আগে চলতি বছরের শুরুর দিকে ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’ ও ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ফেডারেল সমন জারি করেছিল মার্কিন বিচার বিভাগ, যা তীব্র প্রতিবাদের মুখে পরবর্তীতে প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়েছিল প্রশাসন। তবে এবার বিমান বিতর্ক নিয়ে লড়াইটা কতদূর গড়ায়, সেটাই দেখার বিষয়।

এক নজরে এয়ারফোর্স ওয়ান বিতর্ক ও সমন (১১ জুলাই, ২০২৬)

  • রিপোর্টারদের বাড়িতে এজেন্টরা: বিমানের ত্রুটি ফাঁসের জেরে নিউইয়র্ক টাইমসের ৪ রিপোর্টারকে ফেডারেল সমন পাঠাল ট্রাম্প প্রশাসন।

  • বুধবার গ্র্যান্ড জুরিতে হাজিরা: আগামী ১৫ জুলাই বার্নস, লিপটন, পেজার ও শমিটকে ম্যানহাটন গ্র্যান্ড জুরির সামনে দাঁড়াতে হবে।

  • ৪০০ মিলিয়নের বিমানে গলদ: কাতারের দেওয়া নতুন বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী প্রযুক্তি না থাকার গোপন তথ্য ফাঁস করে নিউইয়র্ক টাইমস।

  • বিমান বদলালেন ট্রাম্প: সিক্রেট সার্ভিসের অ্যালার্টের পর তুরস্ক থেকে নতুন বিমান ছেড়ে পুরনো বিমানে ইংল্যান্ডে ফেরেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

  • সংবাদমাধ্যমের তীব্র ক্ষোভ: সাংবাদিকদের এভাবে তলব করা আমেরিকার সংবিধান ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত বলে দাবি আইনি মহলের।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ডোনাল্ড ট্রাম্প এয়ারফোর্স ওয়ান ২০২৬, নিউইয়র্ক টাইমস সাংবাদিক সমন, মার্কিন বিচার বিভাগ সিআইএ, হোয়াইট হাউস ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সেল

আগামী বুধবার নিউইয়র্ক টাইমসের ৪ সাংবাদিক গ্র্যান্ড জুরির সামনে নিজেদের সূত্রের নাম প্রকাশ করবেন কিনা, এ বিষয়ে ট্রাম্পের নতুন এফবিআই ডিরেক্টর ক্যাশ প্যাটেল কী তদন্ত করছেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি ও ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি মুহূর্তের লাইভ ব্রেকিং নিউজের দ্রুত আপเดটের জন্য নিয়মিত ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
তাজা রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency